প্রজন্মের রক্তের প্রতি
গর্তে যারা লুকিয়ে থাকে, তাদের অন্য কোনও
পরিচয় আছে। কিংবা যারা ভালোবাসে রক্ত –
আমি তাদের পিশাচ বলতেই পারি। পারি, ওদের
চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে, এখানে
স্বাধীনতার জন্য এর আগেও এই ভূমি-সমতলে
ঝরেছিল রক্ত। সড়কে দাঁড়িয়ে কেঁদেছিলেন হাত হারা মা।
যারা জনস্রোতের বিপরীতে বেছে নেয় উল্টোপথ,
আমি তাদের বলতেই পারি, ভীরু-কাপুরুষ।
গণ অভ্যুত্থানের যে স্তম্ভ দাঁড়িয়ে আছে ঠিক আমাদের সামনে,
এখানে কার ছায়া পড়েছিল, তা ভেবে আমি
আবার সেরে নিই প্রজন্মের জন্য, আগামীর রক্তপাঠ।
রক্ত এখন বিশ্বময়, এক নতুন সূর্যের নাম।
জলের আখরে নিজেদের ভালোবাসার কথা
লিখতে গিয়ে যারা সানন্দে বুক পেতে দেয়,
অথবা উত্তরপ্রজন্মের জন্য যারা মাটি কাটে একটি
কালের মহাসড়কে- তাদের নাম লেখা থাকে
ফুলে ও পাতায়। যার চিরতরে চলে যায়, তারা
দেখে না, অন্য কেউ দাঁড়িয়ে আছে- এখানে
ঠিক এখানে। ওদের মতোই একা এবং অবিকল।
loading...
loading...
"যারা জনস্রোতের বিপরীতে বেছে নেয় উল্টোপথ,
আমি তাদের বলতেই পারি, ভীরু-কাপুরুষ।" ___ সহমত।
loading...
“যার চিরতরে চলে যায়, তারা
দেখে না, অন্য কেউ দাঁড়িয়ে আছে- এখানে
ঠিক এখানে। ওদের মতোই একা এবং অবিকল”
পছন্দের গানের মতো বিশেষ করে শেষের লাইনগুলি রিউইন্ড করে পড়লাম আর আমার "মুগ্ধতা” মিশিয়ে গেলাম।
কী দারুণ!
কী অসাধারণ!
loading...
ভাল কবিতা।
loading...