তোমায় নিয়ে পাখীর মত ডানা মেলে উড়ে,
হারিয়ে যাওয়া যেত যদি মেঘের ভেলায় চড়ে।
তুমি আমি হতাম না আর চোখের বালি কারো,
কি আনন্দ হত তবে ভাবতে কি তা পারো?
দূর দিগন্তে হারিয়ে যেতাম শুন্যে করে ভর,
এই পৃথিবীর সব বিপত্তি
কবিতা|
৮ টি মন্তব্য
| মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে
|
৩৬০ বার দেখা
| ১২৪ শব্দ ১টি ছবি
কতোটাইবা দুঃখ আর তুমি দিতে পারো
তারচেয়ে ঢের বেশি আগুন বুকে জড়ো
বলেই দেখো নিজে পুড়তে পারি আরো
দুঃখে আমাকে কিভাবে পোড়াবে বলো ৷
কতোটাইবা ঘৃণা তুমি করতে শিখেছো
কতোটা করুনা আছে ঐ হৃদয়ে জড়ো
একবার চোখের পর্দা সরিয়েই দেখো
ঢের বেশি ভালোবাসা এ হৃদয়ে
কবিতা|
৬ টি মন্তব্য
| মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে
|
৩৫৯ বার দেখা
| ৯৬ শব্দ ১টি ছবি
ছেলেটির পা নেই
দু’টো পা-ই নেই তার
পা দু’টো হারিয়েছে সে শিশু বয়েসেই
একটি গাড়ী এক্সিডেন্টে
তখন সে ক্লাশ থ্রীতে পড়ত।
একদিন কথা হলো তার সাথে আমার
বলল তার পা-না থাকার কষ্টের কথা
বললাম-কিভাবে চল ?
ক্রাচে ভর করে।
পঙ্গু জীবনে এ এক অধ্যায়
আমি ভাবতে লাগলাম–।পরে জিজ্ঞেস করলাম,
লেখাপড়া কর ?
হ্যাঁ করি, এবার এসএসসি
আমি ঘটক বা অনুঘটক হতে চাই না,
আমি চাই না শরত বাবুর দেবদাস,
অথবা লাইলীর ব্যর্থ মজনু হতে।
আমি বিষন্নতার কষ্টের গাঢ় নিঃশ্বাস,
ঘাড় পেতে নিতে নিতে ফুরিয়ে যেতে চাই,
আমি উপনিষদের দ্বিতীয় পাখীর মতো,
দূরে দাঁড়িয়ে দেখে যেতে,
শুধু দেখে যেতে চাই,
আনন্দ আর বিষাদে ভরা,
তোমাদের ভালোবাসার সোনালী মাখামাখি।
গোধুলী
আমার এ গান ছড়িয়ে দিও
তোমারই সুরে পাখির কণ্ঠে
কোন এক বসন্ত মেলায়।
আমার আশায় পথ চেয়ে থেকো
আঁচল উড়িয়ে শরতের শান্ত সকালে
সাদা মেঘের ছায়ায়।
হৃদয় সাগরে ভাসিও
তোমার প্রেমের তরী
আকাশে যদি ওড়ে
হংস বলাকা সারি।
আমার ছবি এঁকো
আপন মনে জানালায় বসে
শীতের সোনালি
কবিতা|
১০ টি মন্তব্য
| মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে
|
৭০৫ বার দেখা
| ৩৮ শব্দ ১টি ছবি
গণিতচর্চা
গণিত কথাটির অর্থ হল গণনা সম্পর্কীয় শাস্ত্র। এটি বিজ্ঞানের অন্যতম প্রধান শাখা। গণিতের শুরু কবে ও কোথায় এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। অনেকের মতে গণিতের আদিভূমি মিশর। যদিও এ নিয়ে বিতর্ক আছে। এর কারণ সেই সময় ব্যাবিলন এবং
দ্বিপদী কাহিনী
আজকাল অধিকাংশ সময়েই কিছু বিচ্ছিন্ন ভাবনারা
মনের আনাচে কানাচে দলা পাকায়
কুণ্ডলী পাকানো কেঁচোর মতো কিংবা স্নেক আইল্যান্ডের সাপের মতো
জড়ানো নিশ্বাসে কেবল অবিশ্বাসের দানা বাঁধায়!
আমিও সাক্ষী গোপালের মতো কেবল চেয়ে থাকি
বলতে আমার কিছুমাত্র লজ্জা নেই
একটা শব্দের বারোটা, তেরোটা বাজিয়ে আরেকটি শব্দের লজ্জা ঢাকি!
তবুও ভালোবাসা বলতে
ধ্রুবতারার সাথে যদি মিশে যায় ভাবনারাশি
জলতরঙ্গের সুরে স্বপ্নের গান; সুর তুলে দেয় হাতছানি
আমি ভেসে যাই, পাল তুলে আনন্দের অথৈ সাগরে
বিনিদ্র রজনী, সহযাত্রী হয়ে ছুটে চলে আমার সাথে
তুষার ঢাকা উত্তরের কোন এক নির্জন প্রান্তরে, পেঙ্গুইন আবাসে
যেখানে রাশি রাশি স্বপ্ন ভাসে শ্বেত শূভ্রমেঘে, নির্জন
নিদ্রাহীনকে নিদ্রা দেবো, স্ত্রী হীনকে বউ,
নিঃসন্তান কে সন্তান দেবো, দেয়নি আগে কেউ।
অসুস্থরা সুস্থ হবে, অশান্তিতে আরাম পাবে,
খর তাপে পোড়ে যারা তাদের ঘরে এসি হবে।
কাঁদছে যারা হাজার দুখে, ফুটবে হাঁসি তাদের মুখে,
অর্থ দেবো অভাবী কে, মরে
কবিতা|
৬ টি মন্তব্য
| মন্তব্য বন্ধ রাখা আছে
|
১৫৬ বার দেখা
| ১৩৯ শব্দ ১টি ছবি
♥আযানের শব্দ ♥
সত্যিই যদি আযানের শব্দে
কান ব্যাথা হয়।
অচিরে সেই কান হয়ে যাক ক্ষয়।
রাখবো কেন সেই কান?
না যদি রাখতে পারি তার মান
সত্যিই যদি আযানের শব্দে
স্ট্রেন হয়।
যানবাহনে ইঞ্জিনের শব্দ ,আর হর্ন
কেন তবে রয়?
সত্যি কি আযানের শব্দ
সাউন্ড পলিউশন?
হেড ফোন আর এয়ার ফোন
তবে নাকি তার সলিউশন?
পটকা বাজি
সিমুলেশন ল্যাবে বসে আছি। টিচার তখনো আসেনি। সবাই যার যার ইনস্ট্রুমেন্টস নিয়ে ব্যস্ত। ল্যাব এসিস্টেন্ট এসে পাওয়ার পয়েন্টে ডাটা টেবিল, ডায়াগ্রাম ওপেন করে দিয়ে গেছে। সবাই ব্যাগ থেকে ল্যাব রিপোর্ট বের করে একেক করে টেবিলের
কাল রাতে আকাশ বউ সেজেছিল; সূর্যের ঘরে যাবে!
যদি তারা নিভে যায় তাই পথে পথে জোনাকি ছিল
বাহন হিসেবে চার বেহারার পালকি ছিল;
কাল রাতে আকাশ সমুদ্ররঙ শাড়ি পরেছিল!
এরপর হঠাৎ করেই আকাশটা হারিয়ে গেলো!
সাথে জল-জোছনার প্রণয় হারালো
ঘাসফড়িঙয়ের নৃত্য হারালো; তুমি
একনায়কের ঝুন্ড
জেগে থাকা আর ঘুমোনোর গল্প শুনলেই
আমার হিটলারের সূক্ষ্ম বুদ্ধির কথা মনে পড়ে যায়,
কি অনায়াসেই না কমেডিয়ান মার্কা ভদ্রলোক
কয়েকটা দেশের সব জেগে থাকা মানুষদের
ঝেড়ে পুছে সাফ করে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছিলেন!
অবশ্য হিটলার এটা শিখেছিলেন
মহামহোপাধ্যায় বীর নেপোলিয়নের কাছে,
নেপোলিয়ন আবার ক্রেয়নের কাছে
আর এভাবেই দেশ কালের কাঁটাতার আর
নোম্যানসল্যান্ডের